Showing posts with label jokes. Show all posts
Showing posts with label jokes. Show all posts

দুইটা ভদ্র কৌতুক

০১
বাইরে ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে। অনেকক্ষন বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তা ঘাটে প্রচুর পানি জমে আছে। এর ভিতর এক মাতাল চিৎকার করে কেদে কেদে বলছে, কে আছো ভাই? একটু ধাক্কা দাও।

লিসা তার জামাই ববকে ডেকে তুলল। আমার মনে হয় তোমার যাওয়া উচিত।
-কিন্তু বাইরে অনেক বৃষ্টি। রাস্তায় অনেক কাদা।
-তোমার গত বছরের কাহিনী মনে নাই?
-আছে মনে আছে। কিন্তু এই ব্যাটার গলা শুনে ত মনে হচ্ছে পুরা মাতাল।
-তোমার গলা শুনে সেদিন কি অন্যরা মাতাল ভাবে নি?

গত বছর লিসার বাচ্চা হবে। রাতের বেলা হাসপাতালে নিয়ে যাবে। সেদিনও এমন বৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তাঘাট ভেসে যাচ্ছিল। তাদের গাড়িটা আটকা পড়ে গিয়েছিল কাদায়। অনেকক্ষন ঠেলে ঢুলেও বব গাড়িটা গর্ত থেকে বের করতে পারছিল না। এদিকে বউয়ের বাচ্চা প্রসবের সময় হয়ে যাচ্ছে। বার বার বব ধাক্কা মারছিল। কিন্তু গাড়িটা বের করে আনতে পারছিল না। একসময় হতাশায় সে চিৎকার করে কাদা শুরু করেছিল । ধাক্কা দাও। কেউ একজন এসে ধাক্কা দাও। আশেপাশের বাসা থেকে দুইজন সহৃদয় মানুষ বের হয়ে এসেছিল। নিজের ভিজে, কাদায় মাখামাখি হয়ে গাড়িটা বের করে দিয়েছিল ধাক্কা মেরে। আর সেদিন রাতেই তাদের ফুটফুটে একটা মেয়ে হয়েছিল।

আজকে, বছরখানেক পর, আরেক বৃষ্টির দিনে এক মাতাল চিৎকার করে বলছে, ধাক্কা দাও। আমাকে ধাক্কা দাও।

বব বের হয়ে আসল। রাস্তার পাশের লাইটগুলাও নিভে আছে কেন জানি। বেশ অন্ধকার। কিছুই দেখা যাচ্ছে না। শুধু চিৎকার শোনা যাচ্ছে, ধাক্কা দাও।
বব বলল, ভাই আপনি কই?
-এদিকে আসেন।
বব সামনে এগিয়ে যায়।
-বাগানের ভিতর আসেন।
বব বাগানে ঢুকে পড়ে। ভাই, আপনাকে দেখছি না ত।
-ভাই, টবগুলার পাশে আসেন।
বব টবের পাশে এসে দাঁড়ায়।
-ভাই ,আপনার মত মানুষ হয় না। আসেন, একটু ধাক্কা দেন ত। অনেকক্ষন দোলনায় বসে আছি। এত ডাকছি। কেউ ধাক্কা দিতে আসে না।


০২

বিচারক আসামীকে ২০ বছরের সাজা দিয়েছেন।
আসামী- হুজুর, আমি একটা জিনিস জানতে চাচ্ছিলাম।
বিচারক- বল। কি প্রশ্ন?
-যদি আমি আপনাকে শুয়োরের বাচ্চা বলে গালি দেই , তা হলে কি হবে?
-আদালত অবমাননার অভিযোগে, তোমার সাজা আমি আরো ২ বছর বাড়িয়ে দিব।
-যদি আমি মনে মনে চিন্তা করি, মনে মনে গালি দেই?
-তাহলে সমস্যা নাই।
-তাইলে আমি মনে মনে ভাবছি, আপনি একটা মোটা মাদী শুয়োরের ভোটকা একটা বাচ্চা।

কৌতুক

মেডিকেল কলেজের প্রফেসর নতুনদের ক্লাস নিচ্ছেন।

-ভালো ডাক্তার হওয়ার দুটি শর্ত। প্রথমটি হল খুব ভালো পর্যবেক্ষন শক্তি থাকা। রুগীকে দেখেই যেন তার সম্পর্কে ধারনা করতে পারো, কোন একটা অসুখের হালকা লক্ষনও যেন বাদ না যায়। দ্বিতীয়টা হল মন শক্ত করা। যেন কিছুতেই তুমি ভড়কে না যাও।

আজকে তোমাদের পর্যবেক্ষন এবং মানসিক অবস্থার পরীক্ষা হবে। আমার সামনে একটা জারে হলুদ বর্নের তরল আছে। সবাই এক এক করে আসো আর দেখে যাও। বলো এটা কি?

একে একে সবাই এলো। সবার এক কথা এটা প্রস্রাব।

গুড! এই বলে প্রফেসর একটা আঙ্গুল তরলে ডুবিয়ে দিলেন। ছাত্র-ছাত্রীরা ওয়াক থু টাইপ আওয়াজ করল। তরলে আঙ্গুল রেখেই প্রফেসর বললেন,

-তোমাদের ঘেন্নাপাতি কমাতে হবে। মানসিক দৃঢ়তার জন্য এই ধরনের ঘৃনা থাকা ভালো নয়। যারা এখনো আমার আঙ্গুল চুবিয়ে রাখা পছন্দ করো নাই তারা ভালো করে লক্ষ্য করো। এইবলে প্রফেসর আঙ্গুল তুলে মুখে দিলেন। ছাত্রদের অবস্থা ত সেই রকম।

এরপর প্রফেসর বললেন, তোমরা সবাই ঠিক আমি যেভাবে আঙ্গুল চুবিয়েছি আর মুখে দিয়েছি সেইভাবে কর। সবাই আসো... একে একে...

ছাত্ররা তাই করল।

সবশেষে প্রফেসর বললেন, এবার তোমাদের পর্যবেক্ষনের প্রসঙ্গে আসি। বলো কতজন খেয়াল করেছো যে আমি তর্জনী চুবিয়েছি আর মধ্যমা মুখে দিয়েছি...

কৌতুক - মুরগি দুইটা ধরবে কে?

বাজার করে আসার পথে ববের গাড়ি খারাপ হয়ে গেলো। সে গাড়ি থেকে নেমে এল। তার ফার্মটা কাছেই। হেটে যেতে মিনিট দশেক লাগবে। সে আপাতত গাড়িটা ফেলে রেখে চলেই যেতে পারত। পরে মেকানিক নিয়ে এসে ঠিক করা যেত গাড়িটা। কিন্তু সমস্যা হল সাথে কিছু বাজার আছে। একটা বড় হাস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর চার লিটার রঙের ডিব্বা।
এতগুলা জিনিস কিভাবে নেয়া যায় সে বুঝে উঠতে পারছে না।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল,
-আচ্ছা, ৭৭ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে?
-৭৭? আমার বাসার পাশেই। হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা হাস, দুইটা মুরগি,বালতি আর রঙের কৌটা নিয়ে হাটতে পারছি না।
-এককাজ করেন। রঙের কৌটাটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাসটা নেন আরেক হাতে।

বব তাই করল। চমৎকার কাজ করছে। পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল লিসা। সে যাচ্ছে কাজিন জনের বাসায়।


পথের এক জায়গায় বব বলল, এই ওয়ালটার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট -আছে। এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে।
লিসা বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথ।
-তাতে কি?
-আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে u know what শুরু করতে চান?
-হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর রঙের কৌটা, আরেক হাতে হাস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি?
-ধরেন, আপনি বালতি থেকে রঙের কৌটাটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাসটা রাখলেন। হাসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য রঙের কৌটাটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল।
-ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি?
একটু হেসে লিসা বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম।





\”Bookmark”?>

পাঁচটি কৌতুক (১৮+)

০১
জন রবিকে বলতাছে, দুস্ত। ছুটি আসতাছে। এইবার আবার ঘুরতে যামু। তয় তোর কথা আর শুনমু না। এখন থেকে নিজের পছন্দমত জায়গায় ছুটি কাটাতে যাব।
-ক্যান! কি হইছে?
-তোর কথা শুইন্যা কয়েক বছর আগে হাওয়াই গেলাম। কি হইল?? মারিয়া প্রেগন্যান্ট হইয়া গেলো। দুই বছর আগে কইলি বাহামা দ্বীপে যাইতে। গেলাম। কি হইল? মারিয়া প্রেগন্যান্ট হইয়া গেলো। এখন থেইক্যা একটু অন্যরকম কইরা ছুটি কাটামু।
-কই যাবি?
-এইবার যামু ইন্দোনেশিয়া... আর মারিয়ারে লগে লইয়া যামু।

০২
বব বারে ঢুকে ১২ পেগের অর্ডার দিল। বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করল,
- আপনার কি হইছে? মন খারাপ?
-হ। আজকে জানলাম আমার বড় পোলা গে।
-থাক মন খারাপ করবেন না। এই রকম ত হয়।

পরের সপ্তাহে বব হাজির। এইবার পনের পেগের অর্ডার দিল।
বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করে,
-এইবার কি হইছে?
-আজকে জানলাম আমার ছুটু পোলাও গে।
বারটেন্ডার বলে, আফচুস!

এর পরের সপ্তাহেই বব হাজির। বিশ পেগের অর্ডার দিল।
বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করে,
-আজকে আবার কি হইল???? আপনার ফ্যামিলীতে কি কেউ নাই যে মেয়েদের পছন্দ করে?”
বব বলে, আজকে জানলাম আমার বউই মেয়েদের পছন্দ করে।

০৩
এক পুলিশ হাইয়েতে যাচ্ছে। পথের মধ্যে দেখে এক লোককে ন্যাংটা করে কেউ গাছে সাথে বেধে রেখেছে। লোকটা কাদছে। পুলিশ গাড়ি থামাল। লোকটার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
-আপনার কি হইছে?
- আজকে আমার দিনটাই খারাপ। সকালে বউয়ের সাথে ঝগড়া হল। গাড়ি নিয়ে বের হলাম,ওভার স্পীডের জন্য জরিমানা দিলাম। পথের মাঝে একলোককে লিফট দিলাম। অই ব্যাটা গাড়িতে উঠে আমার আমার বুকে বন্দুক ধরল। সে আমার সব টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। আমার জামা কাপড় নিয়ে গেছে। আমার গাড়িটাও নিয়ে গিয়ে আমাকে গাছের সাথে বেধে রেখে গেছে।
পুলিস সব শুনে একটু চিন্তা করল। এরপর নিজের প্যান্ট খুলা শুরু করল। লোকটা বলল, কি করছেন আপনি?
পুলিশ মুচকি হেসে বলল, “ হ! আজকে আপনার দিনটাই খারাপ”


০৪
শিক্ষক ক্লাস শেষ করছেন। “আগামী সপ্তাহে ক্লাস টেস্ট। সবাইকে থাকতে হবে। কোনো ধরনের আপত্তি শুনা হবে না। শুধু কারো আত্মীয় মারা গেলে বা বড় রকমের মেডিকেল কন্ডিশন হলে ছাড় পাবে।“
এক ছাত্র উঠে জিজ্ঞেস করল, স্যার, extreme sexual exhaustion কি মেডিকেল কন্ডিশন হিসাবে ধরা হবে?”
পুরা ক্লাস হাসিতে ফেটে পড়ল। শিক্ষক কিছুক্ষন অপেক্ষা করে বললেন, “না ধরা হবে না। তুমি লেখার জন্য অন্য হাত ব্যবহার করবে।“


০৫
জজ কোর্ট। জজ আসামীর দিকে তাকিয়ে রায়ের আদেশ পড়ছেন। “ তুমি বউকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারার অভিযোগে অভিযুক্ত।“
দর্শকদের ভিতর থেকে একজন চিৎকার করে বলল” হারামজাদা!”
জজ রায় পড়ে যাচ্ছেন। “ তুমি তোমার শাশুড়িকেও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মেরেছো”
দর্শকদের ভিতর থেকে সেই লোকটা আবার বলে উঠল” হারামজাদা!!”
এইবার জজ লোকটাকে বললেন, “আমি আপনার রাগের কারন বুঝতে পারছি। কিন্তু এটা কোর্টরুম। আর একবার আপনি এই রকম চিৎকার করলে আপনাকে বিচারে বাধা দেয়ার জন্য গ্রেফতার করা হবে। বুঝছেন?

এইবার লোকটা দাঁড়িয়ে বলল,” আমি গত পনের বছর ধরে হারামজাদার প্রতিবেশি। যতবারই আমি তার কাছে একটা হাতুড়ির ধারের জন্য গেছি, সে বলছে তার কাছে হাতুড়ি নাই।“

দুইটা কৌতুক

০১
ছোট ছেলে মাকে এসে বলছে, মা মা আমি বড় হলে পাইলট হব। বাসার উপর দিয়ে বিমান চালিয়ে যাব।
মা- কিন্তু বিমানটা যে তুমি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছো, সেটা বুঝব কিভাবে?
ছেলে, কিছুক্ষন চিন্তা করে, আমি তাহলে প্রতিবার যাওয়ার সময় একটা করে বোমা মেরে যাব।

০২
দুই ক্লাস থ্রী এর পিচ্চি পোলা টয়লেটে পিসাব করছে।
-দোস্ত! তোর জিনিসের ওপর চামড়া নাই ক্যান?
-আমার মুসলমানী হইছে।
- মুসলমানী কি জিনিস?
- মুসলমানীর সময় সামনের চামড়া কেটে ফেলে।
-তোর কবে করছে?
- জন্মের প্রথম সপ্তাহেই করছে।
-ব্যথা পাইছিলি দুস্ত?
- ছুটু ছিলাম ত কইতে পারি না। তবে হেভী ব্যথা পাইছিলাম এইটা শিওর। একবছর আমি হাটতেই পারি নাই।

কৌতুক ( বাংলার হুজুর;))

বিভিন্ন ধর্মের লোকজনদের নিয়ে সভা হচ্ছে।
প্রথমেই বুদ্ধ সন্ন্যাসী ষ্টেজে ঊঠলেন। বুদ্ধের প্রশংসা করে বক্তৃতা দিলেন। তার বলা শেষ হলেই বাঙ্গালাদেশি এক হুজুর দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা! আশ্রমের জন্য আপনারা যে টাকা পান, সেটা হতে নিজেদের পিছে কত খরচ করেন? সন্ন্যাসী খুব লজ্জার সাথে উত্তর দিলেন, যদিও আমরা সন্ন্যাসী, তারপরও বেচে থাকার জন্য আমরা কিছু অর্থ খরচ করি। আশ্রমে দান থেকে যা আয় হয় তার দশ পারসেন্ট নিজেদের পিছে খরচ করি।
হুজুর ধমক দিয়ে উঠলেন , ধিক!!! খোদার লানত পড়ুক আপনাদের উপর। খোদার টাকা থেকে আপনার নিজেদের জন্য সরিয়ে রাখেন!!!

বেচারা সন্ন্যাসী কিছু বলতে পারলেন না। লজ্জায় মাথা নিচু করে বসে পড়লেন।
এরপর গেলেন হিন্দু মন্দিরের পুরোহিত। তিনি ধর্মের ব্যাখ্যা শেষ করতেই হুজুরের প্রশ, মন্দিরে যে মানুষেরা টাকা দেয়, তার কতটুকু আপনারা নিজেদের কাজে লাগান শুনি?
পুরোহিতও খুব লজ্জায় পড়ছেন। মন্দিরের সব কাজ ত আমরা দানের টাকায় করি, আর পচিশ পারসেন্টের মত খরচ হয়ে যায় নিজেদের পিছে।
আবার হুজুরের চিৎকার, ধিক!!! লানত পড়ব খোদার!! লজ্জা করে না ভগবানে টাকা নিজের পকেটে নিতে??

এরপর উঠছে পাদ্রী। সে বার বার হুজুরের দিকে চোরা চোখে চায়, ভয়ে ভয়ে কথা শেষ করল। হজুর যথারীতি বক্তৃতা শেষেই প্রশ্ন করল, বলেন আপনারা কত খরচ করেন নিজের পিছে?
ডোনেশনে যা পাই, তার পঞ্চাশ ভাগের মত নিজেদের পিছে খরচ হয়ে যায়।

হুজুরের আবার ধমক, ধিক!!

এরপর হুজুরের পালা। সন্ন্যাসী, পুরোহিত আর পাদ্রী পুরা ক্ষেপে আছে। হুজুরের কথা শেষ হতে না হতেই তাদের প্রশ, এইবার বলেন আপনার কত খরচ করেন নিজেদের পিছে?
আপনি কি ভাবছেন আমরা আপনাদের মত??? খোদার টাকায় খোদার হক সবার আগে। তাই আমরা খুব ভালো একটা সিস্টেম ব্যবহার করি। বছরে যা টাকা উঠে তা একটা চাদরে বাধি। এরপর সেটা আকাশের দিকে ছুড়ে মারি। খোদার যা দরকার তিনি সেটা থেকে নিয়ে নেন। চাদর মাটিতে পড়লে সেটা খুলে আমাদের যা দরকার আমরা নিয়ে নেই।

আইখ্যা পার্ট-৩ ( ১৮+ কৌতুক)

হাবা ভন্ডুল এর ছোটবেলার কাহিনী। পোলাডা একদিন দেখে এক বড় ভাই একটা মেয়েরে চুমু দিচ্ছে। বাসায় এসে ভন্ডুল মারে কয়, আম্মা! চুমা দিলে কি হয়? “
ওর মা ত খুব কড়া। সে চায় পোলা ভালা থাকুক। এইসব পাপ যাতে না করে তাই ডর দেখানের লাইগ্যা ভন্ডুলরে কইল, “ চুমা দেয়ার পর পোলাগুলার শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায়, পরে মাটিত পইরা মইরা যায়। “
ভন্ডুল কয় সত্যি?
হ



ভন্ডুল আস্তে আস্তে বড় হয়।যুবক হইলে একদিন এক মাইয়ার সাথে কথা হয়। কথায় কথায় সম্পর্ক হয়। মেয়েটা একদিন হাবা ভন্ডুলরে চুমা দিতে চায়। ভন্ডুল মানা করে।
আমার আম্মা কইছে মেয়েদের চুমা দিলে আমি মারা যামু।
বোকা! আসো। বলে মেয়েটা এগিয়ে একটা চুমা দিল। চুমা শেষ না করতেই করতেই হাবা ভন্ডুল আম্মা ঠিকই কইছিল বলে মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি দেয়া শুরু করছে।
কি হইছে?
আল্লাহ রে। আমি পাত্থর হইয়া মইরা যামু। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে।

আইখ্যা পার্ট ২

আইখ্যা নতুন ফ্লাটে উঠছে। ওর দোস্ত দূরের পাখি আইছে দেখতে রকম-সকম কি। এসে দেখে ফ্লাট হাবা ভন্ডুলের পাশে।
-এত জায়গা থাকতে তুই হাবা ভন্ডুলের পাশে উঠছোস ক্যান?
-সময়ে বুঝবি দোস্ত।
দূরের পাখি ঘুরে ঘুরে দেখে ফ্লাট। একটা জিনিস দেখে খুব অবাক হয়। আইখ্যার বেড রুমে একটা বড় ঘন্টা আর একটা হাতুড়ি রাখা। দূরের পাখি জিগায়-
-কিরে ঘন্টা কিসের জন্য?
-এইটা একটা unorthodox ঘড়ি।
-ঘড়ি??? দেখে ত ঘন্টা মনে হয়।
-দেখাচ্ছি। তোর ঘড়িতে এখন কয়টা বাজে?
-পৌনে তিনটা
-Ok
Watch and see বলে আইখ্যা হাতুড়ি দিয়ে ঘন্টায় দিছে বাড়ি। পুরা পাড়া কেপে উঠছে। সাথে সাথে হাবা ভন্ডুলের ফ্লাটের জানালা খুলে গেছে। “ ছাগু পৌনে তিনটা বাজে তুই আবার আবালের কাম শুরু করছোস।

আইখ্যা পার্ট-১ ব্লগার ভন্ডুল এর জন্য দুইটা ১৮+ কৌতুক

আইখ্যা হাসপাতালের নতুন ডাক্তার। চেম্বারের বাইরে রোগীদের ভিড়। ভিতর থেকে হঠাৎ এক রোগী দৌড়ে বের হল চিৎকার করতে করতে। ফ্লোরে শুয়ে পড়ে গড়াগড়ি। খালি ছাগু ছাগু কইতাছে।
ভিড় জমে গেছে। পাশের চেম্বার থেকে ডাক্তার নস্যরাজ বের হয়ে এসেছে।
কি হইছে? চিৎকার কিসের?
রোগী হাউকাউ করছে। নস্যরাজের মেজাজ খারাপ। আইখ্যা কোন ভুল চিকিৎসা দিলো নাকি? রোগীকে ধরে সে প্রশ্ন শুরু করল ।
নাম কি?
আমার নাম ভন্ডুল।
কি হইছে?
এই আমি একটা তরতাজা পুড়ুষ, আর আইখ্যা ডাক্তার কয় আমি নাকি প্রেগন্যান্ট।
নস্যরাজ “ আইখ্যা মানুষ হইল না” বলে মাথা নাড়তে নাড়তে চেম্বারে ঢুকল।
“তুমি নাকি কইছ ভন্ডুল প্রেগন্যান্ট? তোমার মাথা খারাপ হইছে? _লের চিকিৎসা করো তুমি? ”
-আইখ্যা হাসে, “ ওর হিক্কা বন্ধ হইছে না? “


০২
ভন্ডুল এক মেয়ের সাথে পরিচিত হইছে। অনেকদিন ফস্টিনস্টি করছে। এরপর একদিন রাতে তারা you know what করছে।
কাজ শেষে ভন্ডুল তৃপ্তির জন্য সিগারেট বের করছে পকেট থেকে। অন্ধকারে লাইটার খুজে পায় না। সো মেয়েটারে জিজ্ঞেস করে ম্যাচ আছে?
- উপরের ড্রয়ারে দেখ।
ভন্ডুল উপরের ড্রয়ার খুলছে। এক বাকস ম্যাচ। ম্যাচ বাক্সের পাশেই একটা যুবকের ছবি। ভন্ডুল ভয় খাইছে। নোকিয়া করতাছি নাকি?
মেয়েটারে জিজ্ঞেস করে, “ তোমার জামাইয়ের ছবি?”
-নাহ।
ভন্ডুলের নিঃশ্বাস বের হয়। ভন্ডুল একটু হাসে। মেয়েটা উঠে এসে ভন্ডুলের কোমড় জড়িয়ে ধরে। ভন্ডুল সিগারেট ফুকতে ফুকতে বলে
তোমার বয় ফ্রেন্ডের ছবি?
মেয়েটা হাসে। ভন্ডুলের কানের লতিতে ছোট্ট একটা কামড় দিয়ে বলে “ আরে এটা আমি! অপারেশনের আগে। “

আমার নিজের জন্য একটা কৌতুক ( ১৮+ কিনা জানি না)

জন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। এক পিচ্চি তাকে প্রশ্ন করল," কয়টা বাজে?"
-পৌনে তিনটা
- তিনটা বাজলে আমার পাছায় একটা চুমো দিও।
এই কথা বলেই পিচ্চি দিয়েছে দৌড়। জন রেগে গিয়ে তার পিছে পিছে দৌড়াচ্ছে।

পথে ববের সাথে ধাক্কা খেল।
বব- কিরে দোস্ত, দৌড়াস কেন?
- আরে হালার পিচ্চি কয় তিনটা বাজলে ওর পাছায় চুমু খেতে...
- এই জন্য দৌড়াচ্ছিস!! এত তাড়াহুড়া কিসের শুনি ???? তিনটা বাজতে এখনো দশ মিনিট বাকি

কৌতুক-১

এক ছেলে তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে।
বাবা alternative মানে কি?
বাবা বই পড়ছেন।তিনি বড় অধ্যাপক। বই থেকে মুখ তুলে বললেন
- কেন জানতে চাচ্ছো?
-বাবা বইয়ে পড়ছি ত, তাই।
বাবা একটু চিন্তা করে বললেন ,দাড়াও তোমাকে উদাহরণ দিয়ে বুঝাচ্ছি।
মনে করো তুমি বাজারে গেছো। সেখানে মুরগীর ডিম আর হাসের ডিম দুইটাই পাওয়া যায়। তুমি সেখান থেকে একটা মুরগির ডিম কিনে এনেছো।
-তুমি ত ডিম কেনার কথা বলছো। alternative কি সেটা বলো।
- সেটাই ত বলছি। আরেকটু বললেই তুমি বুঝতে পারবে একদম পরিষ্কার। যা বলছিলাম, তুমি এই ডিম থেকে একটা ছোটো মুরগীর বাচ্চা বের করলে। এরপর একদিন বাচ্চা বড় হল। বড় হয়ে সেটা ডিম পাড়ল। সে ডিম থেকে আরো বাচ্চা হলো ।
-alternative মানে কি তুমি সেটা বলো আগে।
-এই ত বলছি। সে বাচ্চা গুলো আবার বড় হল। এইভাবে চলতে চলতে এক সময় তুমি একটা মুরগীর খামারের মালিক হয়ে গেলে। একদিন যে নদীর পাশে তোমার খামার সে নদীতে খুব বন্যা হলো। আর মুরগীগুলা সাতার জানে না। যদি তুমি হাস পালতে তবে সেগুলো সাতার কেটে বেচে যেতে পারত। তোমার সবকয়টা মুরগী সাতার না জানায় ডুবে মরে গেল। তুমি একেবারে পথের ফকির হয়ে গেলে।
-কিন্তু বাবা alternative টা কি?
-এতক্ষনেও বুঝলে না? alternative হল হাসের ডিম।